মেদ ভুঁড়ি কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষই অনেক চিন্তিত থাকেন।

0
61

মেদ ভুঁড়ি কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কোন খাবার ওজন কমায়, ওজন কমানোর জন্য কোন খাবার খাওয়া যাবেনা, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। অতিরিক্ত ওজন কমানোর ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদ দ্বারা প্রস্তুতকৃত ডায়েট চার্ট খুবই জরুরি। কারন স্বাস্থ্য সম্মত ডায়েট প্ল্যান না হলে ওজন তো কমবেই না বরং স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। আসুন এবার দেখে নেই ছেলেদের জন্য ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট টি।

মনে রাখবেনঃ ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সম্মত ডায়েট এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো এবং দৈনিক ৪০ – ৪৫ মিনিট  হাটাহাটি বা ব্যায়াম করা দরকার। ওজন কমানোর গতিকে ত্বরান্বিত করার জন্য দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো দরকার, কারন পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার পর কমপক্ষে ২ গ্লাস পানি পান করে নিবেন, আর সারাদিন তো অবশ্যই বেশি বেশি পানি পান করবেনই।

কোন খবার খাবেন এবং কোন গুলি খাবেন না ?
চিনি যুক্ত খাবার, বেশি তেলে ভাজা পোড়া খাবার, মিষ্টি জাতীয় পানীয়, ট্রান্স ফ্যাট যুক্ত খাবার, প্রানিজ ফ্যাট, রিফাইন্ড করা বা চকচকে সাদা ময়দার তৈরি খাবার, মধু বা সিরাপ জাতীয় খাবার, মিষ্টি জাতীয় শুকনা ফল এবং প্রক্রিয়া জাত করা স্নাক ফুড, স্টার্চ যুক্ত সবজি (যেমনঃ আলু, ভুট্টা, মিষ্টি আলু) কখনই খাবেন না।

আঁশবহুল খাবার যেমন ডাল, শাক, সবজি, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, গমের আটার রুটি, টকফল বেশি খেতে হবে। বেশি বেশি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবিল (যেমন পাতা কপি, ফুল কপি) শিম জাতীয় সবজি, টমেটো, গাজর, পাতাযুক্ত শাক, মশুর ডাল, বাদাম খেতে হবে।

 ওজন কমানোর ডায়েট প্ল্যান .. ছেলেদের জন্য)

বাড়তি ওজন বা মেদ ভুঁড়ি কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কোন খাবার ওজন কমায়, ওজন কমানোর জন্য কোন খাবার খাওয়া যাবেনা, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। অতিরিক্ত ওজনকমানোর ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদ দ্বারা প্রস্তুতকৃত ডায়েট চার্ট খুবই জরুরি। কারন স্বাস্থ্য সম্মত ডায়েট প্ল্যান না হলে ওজন তো কমবেই না বরং স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। আসুন এবার দেখে নেই ছেলেদের জন্য ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট টি।

শারীরিক কন্ডিশনঃ অভিসিটি, স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ২৭১৮ ক্যালরির খাবার দরকার।

উদ্দেশ্য বা টারগেটঃ 15 কেজি ওজন কমানোর।

প্রতি সপ্তাহে ০.৫ কেজি করে ওজন কমানোর জন্য ২২১৮ ক্যালরির ডায়েট প্লানঃডায়েট চার্ট

ডায়েট প্ল্যান

মনে রাখবেনঃ ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সম্মত ডায়েট এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো এবং দৈনিক ৪০ – ৪৫ মিনিট  হাটাহাটি বা ব্যায়াম করা দরকার। ওজন কমানোর গতিকে ত্বরান্বিত করার জন্য দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো দরকার, কারন পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার পর কমপক্ষে ২ গ্লাস পানি পান করে নিবেন, আর সারাদিন তো অবশ্যই বেশি বেশি পানি পান করবেনই।

কোন খবার খাবেন এবং কোন গুলি খাবেন না ?
চিনি যুক্ত খাবার, বেশি তেলে ভাজা পোড়া খাবার, মিষ্টি জাতীয় পানীয়, ট্রান্স ফ্যাট যুক্ত খাবার, প্রানিজ ফ্যাট, রিফাইন্ড করা বা চকচকে সাদা ময়দার তৈরি খাবার, মধু বা সিরাপ জাতীয় খাবার, মিষ্টি জাতীয় শুকনা ফল এবং প্রক্রিয়া জাত করা স্নাক ফুড, স্টার্চ যুক্ত সবজি (যেমনঃ আলু, ভুট্টা, মিষ্টি আলু) কখনই খাবেন না।

আঁশবহুল খাবার যেমন ডাল, শাক, সবজি, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, গমের আটার রুটি, টকফল বেশি খেতে হবে। বেশি বেশি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবিল (যেমন পাতা কপি, ফুল কপি) শিম জাতীয় সবজি, টমেটো, গাজর, পাতাযুক্ত শাক, মশুর ডাল, বাদাম খেতে হবে।

Bangla diet chart

স্বাস্থ্য টিপসঃ
ডায়েট এর পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁটা সবচেয়ে উত্তম ব্যায়াম। প্রতিদিন ৪০-৪৫ মিনিট হাঁটুন। তিন বেলার ভারী খাবারের মাঝের খাবারগুলোয় চেষ্টা করুন তাজা ফল, সবজি, স্যুপ এবং সুগার ফ্রি জুসজাতীয় খাবার খেতে। প্রায়ই দেখা যায়, আমরা ওজন কমে গেলে আবার আগের মতো খাওয়া-দাওয়া শুরু করি। এতে ওজন বাড়ার পাশাপাশি শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। তাই ডায়েটপরবর্তী সময়েও অবশ্যই খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। ওজন কমার পরও হাই ক্যালরিযুক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here