বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২০
আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
Home Design Make it Modern মানুষই তাকে ‘কেডি পাঠক’ নামে চিনে। একসময় তিনি ছিলেন আমির খানের দেহরক্ষী।

মানুষই তাকে ‘কেডি পাঠক’ নামে চিনে। একসময় তিনি ছিলেন আমির খানের দেহরক্ষী।

রণিত রায় ১১ অক্টোবর ১৯৬৫ সালে ভারতের নাগপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ব্যবসায়ী বাবার প্রথম সন্তান। তার ছোটভাই রোহিত রায়ও একজন টিভি অভিনেতা। তার বাল্যকাল আহমেদাবাদ ও গুজরাটে কাটে

মানুষই তাকে ‘কেডি পাঠক’ নামে চিনে। একসময় তিনি ছিলেন আমির খানের দেহরক্ষী।

পিংক ভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের তারকা হওয়ার গল্প বলেছেন রণিত। সেখানে উঠে আসে তাঁর সংগ্রামী জীবনের দিনগুলোর কথা। 

তিনি বলেন, মার সৌভাগ্য যে আমির খানের সঙ্গে বছর কাটিয়েছি। আমি তার দেহরক্ষী ছিলাম। আমি একটি কোম্পানি শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমার কোনো কাজ ছিল না। আমাকে কিছু একটা করতেই হবে। আমি খুব সৌভাগ্যবান ছিলাম, কারণ আমির খানের সঙ্গে দীর্ঘ সময় পার করেছি। তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এখনো শিখেই যাচ্ছি।

১৯৮৪ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে ১৯৯২ সালে মূল ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন রণিত।

আমি সব সময়ই তারকা হতে চেয়েছি। মুম্বাইয়ে আসি এ চিন্তা নিয়েই। আমি চেয়েছি আমি বড় গাড়ি কিনব। মেয়েরা আমরা নাম ধরে চিৎকার করবে, ঠিক এখন যেমনটি হয়। যখন আমি ব্যর্থ হয়েছি, পরে ভালো কিছু হয়েছে।

আমি খুব সৌভাগ্যবান ছিলাম, কারণ আমির খানের সঙ্গে দীর্ঘ সময় পার করেছি। তাঁর কাছ থেকে আমি শিখেছি কাজের জন্য কীভাবে অধ্যবসায়ী হতে হয়। নানাভাবেই আমির আমাকে শুরুটা করিয়ে দিয়েছেন। আমার জন্য সব সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছিলেন।

রণিতের জীবনে লক্ষ্যই ছিল তারকা হওয়া। যদিও থাকে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়েছে সেই জায়গায় পৌছাতে। রণিত বলেন, ‘আমি সব সময়ই তারকা হতে চেয়েছি। ১৫ বছর আগে এই চিন্তা থেকেই মুম্বাইয়ে আসি। আমি চেয়েছি আমি বড় গাড়ি কিনব। মেয়েরা আমরা নাম ধরে চিৎকার করবে, ঠিক এখন যেমনটি হয়। যখন আমি ব্যর্থ হয়েছি, পরে ভালো কিছু হয়েছে। কিন্তু পাঁচ থেকে ছয় বছর আমার কোনো কাজ ছিল না। তখন আমি বুঝতে পেরেছি আসলে সবকিছুই স্টারডম। অভিনেতা হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’ 

এসময় রণিত রায় জানান,  তাকে এ পর্যন্ত আসতে অনেক অপমানও সইতে হয়েছে। একবার তাকে বলা হয়েছিল, তিনি নাকি জুনিয়র আর্টিস্টদের থেকেও খারাপ। তবে এই অপমানই তাকে বড় করেছে। তাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, কী করে কঠিন পরিশ্রম করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

সৃজিত-মিথিলা এর মাঝেই সুখবর দিলেন খুদে সদস্য

করোনাকালে এবার উৎসবটা তোলা থাকলেও একসঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা, খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে হৈ-হুল্লোড়ে মেতে উঠতে প্রস্তুত সৃজিত-মিথিলা। এর মাঝেই সুখবর দিলেন মিথিলা।

পেটের মেদ বা চর্বি কমায় মাত্র ৭ দিনেই

অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি আপনাকে শুধু বিব্রতই করেনা, এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর। এছারাও আপনার বিশাল পেট অনেকের কাছে আপনাকে হাসির পাত্র করে...

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শাড়ি উপহার, মিথিলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শাড়ি উপহার পেয়ে ভীষণ আনন্দিত রাফিয়াত রশিদ মিথিলা.এখন কলকাতার বউ। বিয়ের পর প্রথম দুর্গোৎসবে শ্বশুরবাড়ি...

হলুদের অনুষ্ঠানে ভিন্ন রূপে, ব্যাটিংয়ে সানজিদা!

গায়ে জড়ানো হলুদ শাড়ি, মাথায়, হাতে, কপালে ফুলের সাজ। ছবি দেখেই বোঝাই যাচ্ছে ‘বিয়ার সাজনী সাজো কন্যা লো’ গানের সেই কনে। কিন্তু...

Recent Comments